২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেনু
সংবাদ পাঠান
© 2026 জাগো বুলেটিন
শিরোনাম

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের মাদরাসার অধ্যক্ষ বললেন ছাত্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন, শিক্ষক আমার সলিড

জাগো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ দারুচ্ছালাম নেছারিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আজিবুর রহমান বললেন ওই ছাত্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন, শিক্ষক আমার সলিড।

বহিরাগত কিছু ছেলেদের উৎসাহে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে, তাদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই ওই শিক্ষককে তিন মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সাথে তদন্তের জন্য সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সাংবাদিকদের দেয়া বক্তব্যে দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের ভাউলাগঞ্জ দারুচ্ছালাম নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.আজিবুর রহমান এ কথা বলেন।
বরখাস্তের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবী ভুক্তভোগী শিক্ষকের পরিবার ও শিক্ষার্থীদের। তারা পৃথক পৃথকভাবে নিজের স্থান থেকে বরখাস্ত
প্রত্যাহারের দাবী জানান।

এর আগে শনিবার (১৫ এপ্রিল) দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী শ্লীলতাহানির লিখিত অভিযোগ দেন অধ্যক্ষ বরাবর শিক্ষক ফজলে রাব্বী প্রধানের বিরুদ্ধে। চাপে পরে ওই দিনেই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়।
তিনি ওই মাদরাসার বিজ্ঞান বিভাগে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার বাড়ি সাকোয়া ভোলাবসুনিয়া এলাকায়।

জানা যায়, গত বুধবার (১২ এপ্রিল) ফজলে রাব্বী প্রধান ইফতারি ও ছেলের জন্মদিনের দাওয়াতে দুইজন ছাত্রী ও নয়জন ছাত্র যায়।আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে রাত হলে সবাইকে রেখে দেন রাত যাপনের জন্য। পরের দিন বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে ফেরার পথে করতোয়া নদীর মারেয়া ঘাট পার হওয়ার সময় দেখে ওই মেয়ের আত্মীয় পরিচয়ের আল-আমিন অপেক্ষা করছে। সেখানে ওই শিক্ষককে আল-আমিন কার অনুমতিতে নিয়ে গেছেন তাদেরকে আমি সুপার হুজুর, সভাপতি, ইউএনও সবাইকে জানাব। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার কথাবার্তা বলে সে হুমকী দেয় শিক্ষককে।

অভিযোগকারী ছাত্রীর সহপাঠী সুমাইয়া আক্তার জানায়, স্যার আমাদের প্রাইভেট পড়ায়। স্যারেরা ছাড়াও এলাকার কিছু ছেলেরা বিভিন্ন জায়গায় প্রাইভেট পড়ান এজন্য এলাকার কিছু ছেলে ও মাদরাসার দুই-একজন ওই শিক্ষক স্যারের বিপক্ষে। এটাই হয়ত স্যারকে অভিযুক্ত করার কারণ। তাছাড়া স্যারের বাড়ি ও মাদরাসার বান্ধবীর সাথে খারাপ আচরন করেছে এটা একেবারেই মিথ্যা কথা।স্যার আমাদের সম্মানের সাথে বাসা থেকে নিয়ে আসেন।

অভিযোগকারী ওই ছাত্রী জানায়,স্যার আমার ক্ষতি করে নাই, মাদ্রাসায় অনেকের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে,আমার সাথেও খারাপ ব্যবহার করতে পারে। তাই আমি অভিযোগ করেছি।

অভিযুক্ত শিক্ষক ফজলে রাব্বী প্রধান বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। আমি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলেই তাদের আমার বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম।

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি আজম উল করিম জানায়,অভিযোগ উঠার পরে ওই ছাত্রীদের ডেকে প্রথমে কথা বলা হলে এধরনের কোন খারাপ আচরন করেন নাই বলে তারা। পরোক্ষনে এক ছাত্রী শ্লীলতাহানির লিখিত অভিযোগ করে।

ফটো কার্ড প্রিভিউ
মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের মাদরাসার অধ্যক্ষ বললেন ছাত্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন, শিক্ষক আমার সলিড

লিংক কপি হয়েছে!