পঞ্চগড়ে ঘুষের টাকা আদায় করতে নজরুল ইসলাম নামের এক সহকারি শিক্ষকসহ দুই জনকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (০২ মে) আটোয়ারী উপজেলার মালিগাঁও এলাকার শরিফুল ইসলামের বাড়িতে আটক করে রাখা হয়।যদিও ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ফেরত আসে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে নিতুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো.নজরুল ইসলামকে মালিগাঁও এলাকার মো.শরিফুল ইসলামসহ তার লোকজন ধরে নিয়ে বাড়িতে আটকে রাখে। এর আগে সোমবার মালিগাঁও এলাকার মৃত নীলমহরের ছেলে রবিকান্ত বর্মনকে বাড়িতে নিয়ে আটক করে রাখা হয়।
জানা যায়, আটোয়ারী উপজেলার মালিগাঁও এলাকার শরিফুল ইসলাম তার ছেলে মো.সোহেল রানার জন্য সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী পদে চাকুরির জন্য গত আড়াই বছর ধরে দফায় দফায় বসতভিটাসহ বিক্রি করে নজরুল ইসলাম ও রবিকান্ত বর্মনকে ১১ লাখ টাকা দেয়।তারা অফিস সহকারী পদে সোহেল রানার নামে নিয়োগ পত্রও দেন কিন্তু পরে সেটা ভূয়া বুঝতে পারে টাকা ফেরত চায়। টাকা ফেরত না দিয়ে পরে নজরুল ইসলাম আত্মগোপন করে। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর মির্জাপুর বাজারে দেখতে পেয়ে ওই শিক্ষককে টাকন আদায় করার জন্য তুলে নিয়ে যায় ।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, অলীন দেবনাথকে টাকা দেয়া হয়েছে। তার ব্যাংক হিসাবের স্বাক্ষরিত চেকের পাতা রয়েছে। আমরা আদালতে টাকা আদায়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি।
পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা জানান, ওই বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
