২৭ জুন রাত ৯ টায় রিপন নামে একজন কলার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, নারী ও শিশু সহ তারা প্রায় আটশতাধিক ঈদযাত্রী পাঁচটি ট্রলার যোগে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে গাইবান্ধার বালাসিঘাট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে রাতের অন্ধকারে তারা পথ হারিয়ে ফেলেন। নদে চলমান কিছু ট্রলারের কাছে তারা চিৎকার করে সাহায্য চেয়েছিলেন, কিন্তু কেউ থামেনি। এখন অন্ধকার রাতে নদের মাঝখানে তারা দিকভ্রান্ত অবস্থায় আছেন। এই অবস্থায় কলার তাদেরকে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
৯৯৯ কলটেকার কনষ্টেবল মইনুল ইসলাম কলটি রিসিভ করেছিলেন। কনষ্টেবল মইন তাৎক্ষণিকভাবে নৌ পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও গাইবান্ধার বালাসিঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানায়।
তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে কলারের অবস্থান শনাক্ত করা হয় ব্রহ্মপুত্র নদের গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানাধীন কোচখালী এলাকায়। সংবাদ পেয়ে বালাসিঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশের একটি উদ্ধারকারী দল সেখান থেকে পাঁচটি ট্রলারে তিনশত জন নারী-শিশু সহ প্রায় আটশতাধিক ঈদযাত্রী উদ্ধার করে নিরাপদে বালাসিঘাট পৌঁছে দেয়।
উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্বে থাকা বালাসিঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই শামসুল আলম ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন।
৯৯৯ দেশের যে কোন প্রান্তে চব্বিশ ঘন্টা নাগরিকের জরুরী মুহুর্তে ও প্রয়োজনে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এম্ব্যুল্যান্স সেবা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
