পঞ্চগড় আদালতে পুনর্গণনায় পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বেশি ভোট পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিনিয়র সহকারী জজ ইসমাইল হোসেনের উপস্থিতিতে পঞ্চগড় সদর আদালতে এই গণনা অনুষ্ঠিত হয়। পুর্ন গণনায় বেশি ভোট পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী জামেদুল ইসলাম ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া মার্কা নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়নে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে তিনি নৌকা মার্কার প্রার্থী আজগর আলীর কাছে ৭১ ভোটে হেরে যান। পরে তিনি এই ফলাফলের বিরুদ্ধে নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে ভোট পুনর্গণনার মামলা করেন। মামলার বাদী ও বিবাদী পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ভোট পুনর্গণনার রায় প্রদান করে নিম্ন আদালত। পরে বিবাদী পক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করেন। উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার নির্দেশ দিলে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালত কক্ষে পুর্ন গণনা শুরু হয়। বাদী পক্ষের আইনজীবী আনোয়রুল ইসলাম খায়ের জানান, পরাজিত প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই ইউনিয়নের দুটি কেন্দ্রের ভোট পূর্ন গণনা করা হয়। শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জামেদুল ইসলাম ভোট পান ৫৩৮টি । পুর্ন গননায় এই কেন্দ্রে তিনি ভোট পেয়েছেন ৫৪৩ টি। নৌকা মার্কার প্রার্থী আজগর আলী এই কেন্দ্রে ভোট পান ৭৮৫টি। পুনর্গণনায় তিনি ভোট পেয়েছেন ৭১১টি। তিনি আরও জানান, অপর কেন্দ্র বিনয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা মার্কার আজগর আলী ভোট পান ৬৯১ ভোট। আদালতের পুনর্গণনা এই কেন্দ্রে তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৫১টি। এই কেন্দ্রে মাজেদুল ইসলাম ঘোড়া মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছিলেন ৮৩২। পুর্ন গণনায় তিনি ৮৩০ ভোট পেয়েছেন। ভোট পুর্ন গণনার সময় দুই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসাররাও উপস্থিত ছিলেন। আগামী তারিখে এই মামলার পুর্নাঙ্গ রায় প্রদান করবে আদালত। পুর্ন গণনা শেষে সিনিয়র সহকারী জজ ইসমাইল হোসাইন প্রিজাইর্ডিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়া উচিৎ। পুর্ন গণনা শেষে জামেদুল ইসলামের ভোটাররা তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন।
দেবীগঞ্জের দন্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের মামলার ১৭ মাস পর রায় জায়েদুলের পক্ষে
