বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
জনপদ

কিশোরগঞ্জে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ পিয়ালের বিরুদ্ধে

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ জুলাই ২০২৪, ০৭:১০ পিএম
কপি হয়েছে!

কিশোরগঞ্জ শহরে সাজ্জাত হোসেন পিয়াল ১৫-১৬ বছর বয়সে ছিনতাইয়ে হাতে করি দিয়ে শুরু করে কিশোর জীবন। মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসা পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাই ও বিভিন্ন অপরাধের মধ্যদিয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার প্রকাশিত হয়।

সাজ্জাত হোসেন পিয়ালে নেতৃত্বে তার বন্ধু ইমন মিয়া এবং রাজিব ভূইয়াসহ কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর এলাকায় অবস্থিত এ.জে.আর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ২০২১সালের ৩ ডিসেম্বর রাতে ২৭টি মোবাইল ও ৬টি ল্যাপটপ চুরি করানো হয়।

আইনি ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য তখন আশ্রয় নিয়ে ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের ভারতীয় চিনি চোরাচালান ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত বিতর্কিত সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার ভাগিনা ইতিপূর্বে
পর্নোগ্রাফির মামলায় পুলিশ কাছে গ্রেফতার হওয়া কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন হীরার কাছে লোক হিসেবে অল্প সময়ের মধ্যেই ও তাদের আস্থাভাজন ক্যাডার হিসেবে পরিচিত পাই শহরে , বিভিন্ন অপকর্মে করা মধ্যদিয়ে ।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে কিশোরগঞ্জ শহরে একজন বাসিন্দা বলেন, সাজ্জাত হোসেন পিয়াল অল্প বয়সেই একাধিক বিয়েও করেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনোর হয় নাই বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ড জড়িয়ে পড়া কারনে। তারপরেও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নিজের পরিচয়ে এলাকায় ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বিতর্কিত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনুসারী হিসেবে।

ছাত্রলীগের সভাপতির ভাগিনার মদতে কিশোরগঞ্জ শহরের একরামপুর এলাকায় অটো রিকশা থেকে এবং সিএনজি স্ট্যান্ডে জিপির নামে চাঁদাবাজি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। এই বিষয়ে জনগণ কিছু বলতে আসলেই কিশোর গ্যাং দ্বারা সে তা প্রতিহত করে৷ এই ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধ কিছু বলে সাহস পাই না । পাশা পাশি তার বাসার সামনে সরকারি বীজ গুদাম বিএডিসি থেকে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আসছে রাজনীতি আশ্রয়ে, গুদামের ভিতর দিবারাত্রি তার পালিত কিশোর গ্যাং মাদক সেবন এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে।

বর্তমানে আলোচিত ভারতীয় চিনি চোরাকারবারি কিশোরগঞ্জ জেলার চক্রের অন্যতম অংশীদার সদস্য সাজ্জাত হোসেন পিয়াল। ভারতীয় চোরাকারবারি চিনির গাড়ির সামনে পিছনে বাইক দিয়ে পাহাড়া দিয়ে বিভিন্ন সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন।