● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ● ●
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●
Logo
জনপদ

নগরকান্দায় বাড়ির জায়গা দখলের অভিযোগ, আদালতের ১৪৪ ধারা জারি

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
কপি হয়েছে!

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামে দীর্ঘদিনের ভিটেবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়ির জায়গা দখল, রান্নাঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মৌজা নং ১৭১ পাড়াদিয়া, বিএস দাগ নং ৫৬০, খতিয়ান নং ৩১ অনুযায়ী ১৩ শতাংশ এবং ক্রয়সূত্রে আরও ৫ শতাংশসহ মোট ১৮ শতাংশ ভিটেজমির মালিক ছিলেন মৃত ওমেদ আলী শেখ। এসএ রেকর্ডে ৪৬ এবং বিএস রেকর্ডে ১৩ শতাংশ জমি তার নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।

জানা যায়, মৃত ওমেদ আলী শেখের মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে মোঃ জামাল শেখ ও মোঃ জালাল শেখ পৈতৃক সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন। তাদের দাবি, সাবেক এসএ দাগ নং ৫০৬ ও ৫০৭-এর সম্পূর্ণ জমি ১৯৫১ সালে হিংগুলি খাতুন কর্তৃক তার স্বামী বেপারী শেখের নামে সম্পাদিত ‘ছলেনামা’ দলিলমূলে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই সম্পত্তির মালিকানা বেপারী শেখের ছেলে মৃত ওমেদ আলী শেখের কাছে আসে।

অভিযোগে বলা হয়, ওমেদ আলী শেখ মৃত্যুবরণ করার পর একই সম্পত্তি পুনরায় হিংগুলি খাতুন তার অন্য পক্ষের সন্তানদের নামে দলিল করে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

এদিকে বিবাদী আবুল খায়ের শেখ (পিতা-মৃত খালেক শেখ) দাবি করেন, তিনি ক্রয়সূত্রে জমির মালিক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত ওমেদ আলী শেখের দূর সম্পর্কীয় ভাই লতিফ ও মসলেম মুন্সির অংশের ক্রেতা আলেম মিয়ার উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে তিনি জমি ক্রয় করেছেন।

জামাল শেখ অভিযোগ করেন, তাদের বাড়ির ভেতরে রান্নাঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলে বিবাদীপক্ষ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করায় তারা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখেন। নগরকান্দা থানার পিটিশন মামলা নং-২২৪/২৬ এর ভিত্তিতে গত ১০ মে নোটিশ প্রদান করা হয়।

তার দাবি, আদালতের আদেশ চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীপক্ষ নিজেরাই আইন অমান্য করে রান্নাঘর ভাঙচুর করে এবং বেড়া দিয়ে জায়গা দখল করে নেয়।

জামাল শেখ আরও অভিযোগ করেন, গত ১১ জুন বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক বাড়ির জায়গা দখলের চেষ্টা করলে তারা বাধা দেন। এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের কয়েকজনকে আহত করা হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নগরকান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোজাহিদ বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আদালতের নির্দেশনা অমান্যের কিছু সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল খায়ের শেখ বলেন, বিএস খতিয়ান নং ৩১ অনুযায়ী ৫৫৯ ও ৫৬০ দাগে মুন্নু, আলেম, হালিম, কুলসুম ও আলাউদ্দিনের নামে মোট ২৫ শতাংশ জমি রেকর্ড রয়েছে। তিনি আলেম মিয়ার উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে ১৪ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছেন।

তার দাবি, মৃত ওমেদ আলী শেখ প্রকৃত মালিকানার চেয়ে বেশি জমি দখল করে রেখেছেন। তিনি বলেন, “বিএস ৫৬০ দাগে ওমেদ আলী শেখের প্রকৃত হিস্যা প্রায় ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং ৫৫৯ দাগে প্রায় ৩ শতাংশ। অথচ তিনি প্রায় ১৪ শতাংশ জমি ভোগদখল করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, ওমেদ আলী শেখের নামে অন্য দাগের কিছু জমি ভুলবশত দেখিয়ে অতিরিক্ত জমির দাবি করা হচ্ছে। সংঘর্ষের কথা সঠিক নয়।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষই নিজেদের দাবি-দাওয়ার পক্ষে দলিল ও রেকর্ড উপস্থাপন করেছেন। বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসন ও আদালতের বিবেচনাধীন রয়েছে।