শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক আন্দোলন: শ্রেণিবৈষম‍্যের বাস্তবতায় “বিপ্রতীপ” কতটা প্রাসঙ্গিক? ● প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ●
Logo
শোবিজ

অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়িতে শুরু হয়েছে বৈশাখী মেলা

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ মে ২০২২, ০৪:৪৩ পিএম
কপি হয়েছে!

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রামে অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি প্রাঙ্গণে বুধবার থেকে ৫ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু হয়েছে। জানা যায়, সত্যজিৎ রায়ের পূর্ব পুরুষ জমিদার হরি কিশোর রায় চৌধুরী কাল ভৈরবী পূজা উপলক্ষে এ মেলার প্রচলন শুরু করেন। সেই থেকে প্রতি বছর বৈশাখ মাসের শেষ বুধবার এ মেলা শুরু হয়।

মসূয়া গ্রামের এই বাড়িতে ১৮৬০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী। ১৮৮৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেন সত্যজিৎ রায়ের পিতা ছড়াকার সুকুমার রায়। দেশ বিভাগের পূর্বে উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী সপরিবারে কলকাতা চলে যান। বর্তমানে বাড়িটি প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তর কর্তৃক পুরাকীর্তি হিসেবে জমিদার বাড়িটি সংরক্ষিত করে গত ১ মে একটি নোটিশ বোর্ড ও একটি হিস্টোরী বোর্ড সাটানো হয়। গত বছরের (২৯ ডিসেম্বর) সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়িটি পরিদর্শনে করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। পরিদর্শনে মন্ত্রী অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের বাবা শিশু সাহিত্যিক ও জমিদার সুকুমার রায়ের পরিত্যক্ত বাড়ি রক্ষার জন্য প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন।
মেলা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কবি, সাহিত্যিক ও বহু দর্শনার্থীর আগমন ঘটে থাকে। গ্রাম বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে মেলায় নানা ধরনের স্টল দিয়েছে বিভিন্ন দোকানিরা। এ মেলাকে ঘিরে আশেপাশের বেশকয়েকটি গ্রামে এখন উৎসবের আমেজ।