বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
প্রিন্সেস ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সামমাম সাকতি ● কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ●
Logo
বিবিধ

নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে গলাচিপার তিন গ্রাম

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ আগস্ট ২০২২, ০৩:১৯ পিএম
কপি হয়েছে!

 

রামনাবাদ নদীর ভাঙ্গনে গলাচিপা উপজেলার তিনটি গ্রামের দুই কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই নদী ঘেষেই অবস্থিত ডাকুয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম আটখালী, ডাকুয়া ও হোগলবুনিয়ায়। রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ প্রায় দুইশত কোটি টাকার সরকারি বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা এত যে বর্ষা মৌসুমেই নদী গর্ভে চলে যাবে নদীর কুল ঘেঁষে থাকা বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি প্রখ্যাত সাংবাদিক আলতাফ মাহামুদের সমাধি স্থল।

সরজমিন গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গলাচিপা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রন বেড়ি বাধের উপর কার্পেটিং সড়ক নির্মানের মাধ্যমে উপজেলা সদর থেকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও দশমিনা উপজেলার সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। ঐ স্থানে ল সারা বছর চলে নদী ভাঙ্গন। বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। নদী শাসনের কোন ব্যবস্থা না করায় এলাকাবাসী আশংকা করছে বর্ষা মৌসুমেই নদী গর্ভে চলে যাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি প্রখ্যাত সাংবাদিক আলতাফ মাহামুদের সমাধি স্থল। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন,আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়,আটখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জৈনপুরী পীর সাহেবরে খানকা,আটখালী কমিউনিটি ক্লিনিক,গলাচিপা কলাগাছিয়া সংযোগ সড়কের একাংশ,গলাচিপা-চরচন্দ্রাইল সংযোগ সড়কের একাংশ।

এছাড়া তেতুলতলা বাজার, দুইশত বছরের পুরনো জমিদার বাড়ি, ৫টি মসজিদ,মাদ্রাসা,২টি মন্দির,অসংখ্য বাড়ি ঘর ও ফসলী জমি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদী ভাঙ্গন রোধ কিংবা নদী শাসনের কোান ব্যবস্থা গ্রহন না করে পানি উন্নয়ন বোর্ড দুই বার বন্যা নিয়ন্ত্রন বেড়ি বাধ নির্মান করেছে। কয়েক বছরে গলাচিপা নদীর ভাঙ্গনে বাস্তুহারা হয়েছে শতাধিক পরিবার। ইতিমধ্যে এক কিলোমিটার বেড়িবাধ বিধস্ত হয়েছে। জোয়ারের লোনা পানি প্রবেশ করায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে।

ইউপি সদস্য শাহালম মৃধা, হারুন হাওলাদারসহ স্থানীয়রা বলেন,“আমরা আর বোড়ি বাধ চাইনা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে একটাই দাবি নদী শাসনের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধ করে আমাদের বাড়ি-ঘর সহায় সম্পদ রক্ষা করার ব্যাবস্থা করুন।”

ডাকুয়া ই্উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায় জানান,অনতিবিলম্বে নদী শাসন ও ড্রেজিং করে নদীর গতি পথ পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহন করা না হলে ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদসহ প্রায় দুইশত কোটি টাকার সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার সম্পদ গলাচিপা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। জরুরী ভিত্তিতে এখানে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙ্গণ বন্ধ করা দরকার।

পটুয়াখালী- ৩ (দশমিনা-গলাচিপা) এলাকার সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা জানান, নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে গুরুত্বপূর্ন এ জনপদ রক্ষা করার জন্য তিনি এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন এবং দ্রত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। এ ব্যপারে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সাথে দেখা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করেছেন।