মুক্তাগাছা পৌরসভায় সহকারী প্রকৌশলী শাহজাহান কবিরের দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ক্ষমতা প্রভাববিস্তার নিয়ে প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের ঢাকা-১৪ ও আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলে ছোট ভাই পরিচয় দেওয়া মুক্তাগাছা পৌরসভার সহ- প্রকৌশলী মো:শাহজাহান কবির এখনও প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে কিন্তু মুক্তাগাছার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন সেই আওয়ামী লীগের প্রভাববিস্তার কারী কবির এখনও কিভাবে একই পরে চাকরী করে?
গত ৫ই আগষ্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলেও, তার সমর্থনের দুর্নীতি বাজ কর্মকর্তা এখনো বহাল রয়েছে একই কর্মস্তলে। অনুসন্ধানে আরও জানা যাই, দীর্ঘ ৮ বছর একই কর্মস্থলে থেকে আওয়ামী লীগের প্রভাববিস্তার করে প্রধান প্রকৌশলী না থাকার সুবিধাত্তে সহকারী প্রকৌশলী শাজাহান কবির হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
তার আস্থাভাজন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজ ভাগিয়ে দেওয়ার মধ্যদিয়ে ও কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করারও অভিযোগ করে দিয়ে আস্থাভাজন ঠিকাদার প্রতিষ্টান থেকে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর প্রকৌশলী শাহাজাহান কবির বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের কাজ থেকে অনৈতিক টাকার সুবিধা নিয়েও কাজ না দিয়ে ঘনিষ্ঠ আস্হাভাজন ঠিকাদারকে কাজ ভাগিয়ে দেওয়া অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানের আরও জানা যাই কাজ না পাওয়া ঠিকাদার পৌরসভার হাউজে সবার সামনে বলতে শুনা যায় শাজাহান কবির কে যে পরিমাণ টাকা দিয়েছি ঐ টাকা দিয়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহে ফ্ল্যাট ক্রয় করে। আমি টাকা ফেরত যাইতে গেলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা -১৪ আসনের এমপি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের পরিচয়ে আমাকেসহ মুক্তাগাছা অনেকেই হুমকি দিয়েছেন। এবং বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের জন্য নিখিলকে দিয়ে বিভিন্নজনকে ফোন করিয়েছে।
তার ব্যবহৃত ফেসবুক একাউন্টে বিভিন্ন সময় নিখিলের সাথে ছবি তুলে ও নিজের বড় ভাই পরিচয় দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেও দেখা যায়। কিন্তু ৫ ই আগস্টের পড়ে ছবিগুলো ডিলিট করতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন, শাহাজাহান কবির আওয়ামী লীগের অত্যন্ত কাছের লোক ছিলেন।ঢাকা -১৪ আসনের এমপি ও আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলে লোক হিসেবে পরিচিত। ওনি বিভিন্ন সময় নিখিলে সাথে ছবি দেখিয়ে মুক্তাগাছা অনেক ঠিকাদারদের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে টাকা গ্রহন করতো।
সরকার নীতিমালা মতে সরকারি চাকুরীজীবি কখনও কোন দলীয়পদ ধারী ব্যাক্তি সাথে ছবি দিয়ে নিজেকে তার লোক হিসেবে পরিচিত করা একটা অপরাধ।
অনুসন্ধান প্রতিবেদনের পরবর্তী পর্বে প্রকৌশলী শাহাজাহান কবির ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের করে দুর্নীতি ও তার অবৈধ সম্পত্তির বিস্তারিত থাকবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহকারী প্রকৌশলী শাহাজাহান কবিরকে প্রতিবেদক কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
