● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ● ●
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ● পঞ্চগড়ে ভুয়া মামলা ও এআই প্রযুক্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ●
Logo
বিবিধ

জমিরিয়া ইমদাদিয়া ঢাকিরকান্দা ছাতিয়ানতলা মাদ্রাসায় দূর্নীতির অভিযোগ; সাবেক কমিটি হিসাব দিতে গড়িমসি 

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫০ এএম
কপি হয়েছে!
ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলার বালিখা ইউনিয়নের শর্তবষী পুরনো জমিরিয়া ইমদাদিয়া ঢাকিরকান্দা ছাতিয়ানতলা মাদ্রাসার সাবেক পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মস্বার্থের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সাবেক কমিটির ও বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদ মিয়া ও সাবেক ও বর্তমান উপদেষ্টা আব্দুল রাজ্জাকের বিরুদ্ধে।
 স্থানীয়রা জানান, গ্রামের অনেকে এই মাদ্রাসায় জমি দান করেছেন যা স্থানীয় মাপ অনুযায়ী (৯.৫০ শতাংশ) এক কাঠা প্রায় ৮০  কাটা। যা কমে গিয়ে বর্তমানে রয়েছে ৩০-৪০ কাঠা। যার সঠিক হিসাব কারও কাছে নেই কিংবা এলাকার কেউ জানে, সাবেক  কমিটি এখনও পর্যন্ত কাউকে সঠিক হিসাব দেয়নি, হিসাব দিলে অর্থ আত্মস্বার্থ  করতে পারবে না।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মাদ্রাসাটি পরিচালনায় এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বাৎসরিক ধান সহ বিভিন্ন সময়ে নগদ অর্থ দান করেন। এছাড়াও এই মাদ্রাসার অনেক পড়াশোনা করেছেন বর্তমানে কর্মসংস্থানে দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন এমন অনেকে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সাবেক ও বর্তমান উপদেষ্টা আব্দুল রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
 আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শহীদ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বেআইনিভাবে জোরপূর্বক মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি বলবৎ রাখে এবং নিজের  খেয়াল খুশি মত অর্থ খরচ করেন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে দলের প্রভাব দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে কোনঠাসা করে রাখতো। বিগত ১৭ বছরে অত্র মাদ্রাসাটির কোন উন্নয়ন হয়নি। এক সময় এই মাদ্রাসায় দাখিল পর্যন্ত চালু থাকলেও বিগত পরিচালনা কমিটির অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতায় মাদ্রাসাটি ক্লাস ফোর পর্যন্ত নেমে এসেছিলো। মাদ্রাসাটি নিয়ে কোন কথা বললে সেই সময় সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা ও দলের প্রভাব দেখিয়ে আতংক ছড়িয়ে দিত। ৫ আগস্টের পর আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা আত্মগোপনে গিলেও বহাল তবিয়তে আছে দূর্নীতিগ্রস্থ সাবেক উপদেষ্টা ও সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা আব্দুল রাজ্জাক বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদ মিয়া। সম্প্রতি মাদ্রাসার গাছ বিক্রি করে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা এবং মসজিদের পুকুরের মাছ বিক্রি করে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসলে স্থানীয়রা জানতে পারে মাদ্রাসায় দানকৃত জমি থেকে কিছু জমিও বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়াও মাদ্রাসা সামনে মার্কেট করে দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি দোকান বাবদ এডভান্স নিয়েছে।
বর্তমান কমিটির একজন সদস্য জানান, নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর আমরা হিসাব চাইলে পুরাতন কমিটি বললো হিসাব পরে বুঝিয়ে দিবে এখন পর্যন্ত আমাদেরকে হিসাব বুঝিয়ে দেয়নি, এমনকি
এ নিয়ে প্রশ্ন করলে কোন উত্তর  না দিয়ে নানান তালবাহানা করে নিজের ইচ্ছামত এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপদেষ্টা ও বর্তমান কমিটির  সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদ এবং  বর্তমান উপদেষ্টা ও সভাপতি  আব্দুর  রাজ্জাক।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার বর্তমান কমিটির সভাপতি এমআর খান বলেন, নতুন কমিটি  দায়িত্ব বুঝে নিলেও এখন পর্যন্ত সাবেক কমিটি অত্র মাদ্রাসার আয় ব্যায়ের হিসাব আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয়নি। হিসাব নিকাশের কথা নানামুখী তালবাহানা করে কালক্ষেপণ করছেন। কমিটি গঠিত হয়ে ১৭ মাস পার হয়ে গেলেও এখন আমরা হিসাব বুঝে পাইনি।
তিনি আরও বলেন, যারা মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদের পরিবারের কোন লোক বিগত ১৭ বছর পরিচালনা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বর্তমানে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫ জন থেকে বেড়ে ১৬০ হয়েছে এবং ওইপাশে বিল্ডিং এর দোতলায় নির্মাণ কাজ হচ্ছে।
 স্থানীয় বাসিন্দা, মোঃ রাসেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ শহীদ দীর্ঘদিন মাদ্রাসা আয়- ব্যায়ের কোন হিসাব নিকাশ জনগনকে জানায়নি। তিনি নিজে একক ক্ষমতাবলে সবকিছু করেন। তার বিরুদ্ধে কথা বলার কেও সাহস করে না তার ভয়ে।
এ বিষয়ে কথা বলতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির  উপদেষ্টা ও সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক  ও বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহীদের ব্যবহিত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন ধরেননি।
 বিগত কমিটির বিরুদ্ধে আয় – ব্যায়ের হিসাব না দেওয়া এবং কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করার বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলায় নির্বাহী অফিসার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা মাদ্রাসা বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ পেয়েছি ও তদন্তে জন্য দিয়েছি এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।