বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
ই-পেপার Logo
EN
কটিয়াদী সরকা‌রি ক‌লে‌জের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ● চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত রাজু, মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ● তরুণদের খেলাধুলা সামগ্রী উপহার দিলেন ফুলবাড়ীয়া পৌর ছাত্রদল সা. সম্পাদক রাজু ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ● সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ● পঞ্চগড়ে জাসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● শামা ওবায়েদের হাতকে শক্তিশালী করতে তালমায় ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরা ● আট মাসে মানুষের কাছে বিএনপি অজনপ্রিয় হয়েছে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম ●
Logo
বিবিধ

৩১ দফা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে প্রশংসিত হলো বাকৃবি ছাত্রদল

জাগো ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৯ পিএম
কপি হয়েছে!

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী আয়োজন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রণীত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা প্রত্যেকে একটি করে ৩১ জন শিক্ষার্থী ৩১টি ভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে পাঠ করেন।

লাইব্রেরি চত্বর, প্রশাসনিক ভবন, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হলের সামনের এলাকা থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড় পর্যন্ত—প্রতিটি স্থানে শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন দফাগুলি তুলে ধরেন। ফলে মুহূর্তেই পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ৩১ দফার বার্তার অনুরণন।
আয়োজকদের ভাষ্যমতে, প্রচলিত সভা-সমাবেশ বা মিছিলে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের কাছে সৃজনশীলভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পৌঁছে দেওয়াই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য। প্রচলিত কর্মসূচির বাইরে গিয়ে এ ধরনের ভিন্নধর্মী আয়োজন সাধারণ শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের মধ্যে নতুন আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করবে বলে তাদের বিশ্বাস।

অনেক শিক্ষার্থী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা কর্মসূচি কেবল আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দিতই নয়, এটি নতুন চিন্তা ও আলোচনার জন্ম দেয়। ৩১ দফার প্রতিটি বক্তব্য শুনতে পারার সুযোগ সৃষ্টি করা সত্যিই অনন্য একটি বিষয় ।”

বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, “৩১ দফা কর্মসূচি শুধু রাজনৈতিক দলীয় এজেন্ডা নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ ও জনগণের কল্যাণের রূপরেখা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনিক সংস্কার—সব ক্ষেত্রেই এটি ইতিবাচক পরিবর্তনের অঙ্গীকার বহন করছে। আমরা চাই, দেশের প্রতিটি নাগরিক এটি জানুক, বুঝুক এবং রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে সম্পৃক্ত হোক।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাকৃবির শিক্ষার্থীরা সবসময় পরিবর্তনের অগ্রভাগে থেকেছে। এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ নতুন চিন্তা ও আগ্রহের জন্ম দেবে।”

বাকৃবি ছাত্রদলের এই অভিনব আয়োজন ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাস থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেকেই একে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক চেতনা ও গণসম্পৃক্ততার ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

রাজনীতি যে শুধুমাত্র বক্তৃতা বা মিছিলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সৃজনশীলভাবেও জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব বাকৃবি ছাত্রদলের এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ হয়ে উঠেছে।